টাঙ্গাইল জেলার অদূরে ছায়াঘেরা নির্মল প্রাকৃতিক পরিবেশে নাগরপুর সরকারি কলেজ স্থানীয় জনসাধারণের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ এবং সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গন হিসেবে কলেজটির সুনাম রয়েছে।
উপমহাদেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, নাগরপুরের কৃতি সন্তান ড. আলীম আল-রাজী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন খালিদের হাতে গড়া ঐতিহ্যবাহী নাগরপুর সরকারি কলেজ এতদ্বঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে যুগযুগ ধরে। কলেজটি এ অঞ্চলে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিস্তারে ঐতিহ্যের এক অনিন্দ্য ধারা তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে।
টাঙ্গাইল জেলা সদর হতে ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে নাগরপুর উপজেলা অবস্থিত । ১০২ বর্গ কি.মি. আয়তন ও প্রায় ৪ লাখ জনগণ অধ্যুষিত এ উপজেলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর ও সাটুরিয়া উপজেলা, পূর্ব ও উত্তর-পূর্বে দেলদুয়ার ও মির্জাপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালি উপজেলা। উপজেলার উত্তর ও পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ধলেশ্বরী এবং পশ্চিম দিক দিয়ে যমুনা নদী বহমান। ধলেশ্বরী বিধৌত নাগরপুর উপজেলা প্রাকৃতিক অনুপম বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। আম-জাম-কাঁঠাল, নারিকেল-তাল-সুপারি, সেগুন-মেহগনি-কৃষ্ণচূড়া প্রভৃতি গাছের মনোরম শোভায় শোভিত নাগরপুর সরকারি কলেজ। এ যেনো এক শান্ত নিকেতন।
টাঙ্গাইল জেলা সদরের বেবিস্ট্যান্ড হতে নাগরপুরের পথে আসতে প্রায় ২৫ কি.মি. পথ পাড়ি দিতে হয়। সিএনজি অটোরিক্সাযোগে যাতায়াত করতে হয়। বর্তমানে ১,৬০০ (এক হাজার ছয়শত) কোটি টাকা ব্যয়ে আরিচা-নাগরপুর-টাঙ্গাইল হাইওয়ে নির্মাণের কাজ চলছে। এ হাইওয়ের কাজ শেষ হলে, দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যাতায়াতে এক অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে।
প্রতিষ্ঠাকাল | 1966 |
জাতয়ীয়করণ | ২জুলাই 1985 |
প্রতিষ্ঠাতা |
ড. আলীম আল-রাজী, এমএ, বিএল, পিএইচডি (ডাবল) |
প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ | |
প্রথম যোগদানকারী অধ্যাপক | |
প্রথম অফিস সহকারী | |
প্রথম দপ্তরী | |
প্রথম ভর্তিকৃত ছাত্র | |